পেয়ারার এ্যানথ্রাকনোজ বা ক্ষত রোগ Anthracnose of Guava
রোগের কারণঃ
Colletotrichum gloeosporioides নামক ছত্রাকের আক্রমণে এ রোগ হয়ে থাকে।
লক্ষণঃ
এ রোগ কান্ড, শাখা, প্রাশাখা পাতা ও ফলে আক্রমণ করে।
প্রথমে পেয়ারার গায়ে ছোট ছোট বাদামী দাগ দেখা যায়।
ধীরে ধীরে দাগ বেড়ে ক্ষতের সৃষ্টি করে।
পরিপক্ক ফল ফেটে যায়।
পাতায় কালো দাগ পড়ে এবং কচি কান্ড আগা থেকে শুকিয়ে মরে যায়।
ছোট-বড় যে কোন বয়সের গাছ আগা থেকে মরতে পারে যা ডাইব্যাক নামে পরিচিত।
কচি ও পাকা ফল রোগাক্রান্ত হতে পারে। ফলে গোলাকার উঁচু কালো দাগ হয়, ফল ফেটে যায় ও অধিকাংশ সময় পচে যায়।
সমন্বিত দমন ব্যবস্থাপনাঃ
গাছের নিচের ঝরে পড়া পাতা, ফল সংগ্রহ করে পুড়ে ফেলা।
আক্রমণ বেশী হলে পেয়ারার কুঁড়ি আসার আগে প্রতি লিটার পানিতে কাডিম ৫০ ডব্লিউপি ০১ গ্রাম বা ০.৫ মিলি প্লান্টার ৩২.৫ এসসি মিশিয়ে মৌসুমে ৩/৪ বার ১৫ দিন পর স্প্রে করা।
ফল সংগ্রহের পর গাছের মরা ডালপালা ছাঁটাই করা।
বছরে তিন ভাগে সুষম সার (নাইট্রোজেন-ফসফরাস-পটাসিয়ামঃ ২৩০-২৪০-৩০০ গ্রাম/গাছ) প্রতি গাছের গোড়ায় প্রয়োগ করা।
গাছে পেয়ারার ফুল আসার আগে আগে কাডিম ৫০ ডব্লিউপি ছত্রাকনাশক নোইন (০.১%) স্প্রে করা এবং ১৫ দিন পর আরো দুইবার স্প্রে কর।