আক্রান্ত পাতায় প্রথমে ছোট কাল দাগ দেখা যায় যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে হলুদ প্রান্তযুক্ত বাদামী বর্ণে পরিণত হয়।
আক্রান্ত স্থানে চক্রাকার বলয়ের সৃষ্টি হয় এবং তা হতে হলুদ বর্ণের পুঁজ বের হয়ে আসে, যা পরবর্তীতে শুকিয়ে গাঢ় বেগুনী বর্ণ ধারণ করে।
কিছু কিছু রোগাক্রান্ত টিস্যু সাদা বর্ণের স্পোরাঞ্জিয়া বেষ্টিত থাকে। পরবর্তীতে দাগগুলো বৃদ্ধি পায় এবং অনেকগুলো দাগ একত্রিত হয়ে (সাধারণত পাতার প্রান্ত বরাবর) পুরো পাতায় ছড়িয়ে পড়ে।
আক্রান্ত পাতায় অনিয়মিত আকার ও আকৃতির দাগ দেখা যায়। মাঝে মাঝে এ রো গের আক্রমণের ফলে পেটিউলে ছোপ ছোপ ভেজা দাগ দেখা যায়। পরবর্তীতে সম্পূর্ণ গাছ ও পাতা পুড়ে যায়।
সংরক্ষিত কন্দে এ রোগের আক্রমণে ধূসর বাদামী হতে কালচে নীল রঙের দাগ দেখা যায়।
এ দাগগুলো দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে একত্রিত হয়ে সমস্ত কন্দ পচে যায়।
সমন্বিত দমন ব্যবস্থাপনাঃ
এই রোগের অন্যতম উৎস হল আক্রান্ত বীজ। বীজে সাধাণত ছত্রাকটির মাইসেলিয়াম এ থাকে, তাই রোগ দমনের জন্য রোগমুক্ত এলাকা থেকে সুস্থ বীজ সংগ্রহ করা।
গাছের রোগাক্রান্ত পাতা ছেঁটে ফেলা এবং ফসল সংগ্রহের পর জমিতে পড়ে থাকা কন্দ ও পাতা ধ্বংস করা।