এ রোগের জীবাণু প্রধানত মাটিতেই অবস্থান করে। অতি অল্প বয়সে আক্রান্ত হলে চারা হঠাৎ নেতিয়ে পড়ে মারা যায় এবং নেতিয়ে পড়া চারা শুকিয়ে খড়ের রং ধারণ করে এবং পরিশেষে তা অদৃশ্য হয়ে যায়।
বয়স্ক চারার আক্রান্ত অংশে সুতার মত ছত্রাকের মাইসিলিয়াম এবং সরিষার বীজের মতো স্কোরোশিয়াম লক্ষ্য করা যায়। গাছের মূল ও শিকড় আক্রান্ত হলে প্রাথমিক অবস্থায় গাছ খর্বাকৃতির হয় এবং পরিশেষে গাছ ঢলে পড়ে মারা যায়।
সমন্বিত দমন ব্যবস্থাপনাঃ
মাটিতে ট্রাইকো-কম্পোস্ট ব্যবহারের ফলে এ রোগের প্রকোপ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পায়।