সাদিক জিওলাইট

পূর্বের পাতা
হোম / মৎস্য পণ্য

সাদিক জিওলাইট

  • সাদিক জিওলাইট কি ?
  • সাদিক জিওলাইট হলো মিনারেল উপাদান এবং প্রোবায়োটিকের মিশ্রণ । পুকুর প্রস্তুতিতে, মাছ ও চিংড়ির জলাশয়ের ক্ষতিকর ও বিষাক্ত গ্যাস দূর করতে, তলদেশের পঁচা জৈব পদার্থ ও দুর্গন্ধ দূর করতে এবং পুকুরের মাটি ও পানির অম্লত্ব রোধে ব্যবহার করা হয়।
  • সাদিক জিওলাইট ব্যবহারের উপকারিতা :  
  • সাদিক জিওলাইট পুকুর প্রস্তুতিতে, মাছ ও চিংড়ির জলাশয়ের ক্ষতিকর ও বিষাক্ত গ্যাস দূর করতে, তলদেশের পঁচা জৈব পদার্থ ও দুর্গন্ধ দূর করতে এবং সর্বোপরি জলাশয়ের পরিবেশ মাছ ও চিংড়ি চাষের উপযুক্ত রাখতে ব্যবহার করা হয়।
  • জলাশয়ের ক্ষতিকর বিষাক্ত গ্যাস, যেমন- অ্যামোনিয়া (NH3), হাইড্রোজেন সালফাইড (H2S), নাইট্রেট (NO3 ), নাইট্রাইট (NO2) ইত্যাদি দূর করে এবং মাটি ও পানির পঁচা দূর্গন্ধ দূর করে।
  • সাদিক জিওলাইট প্রয়োগে জলাশয়ে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ এবং মাটি ও পানির উর্বরতা বৃদ্ধিবৃ পায়। ফলে মাছ ও চিংড়ি সুস্থ থাকে এবং রোগ সংক্রমণ হ্রাস পায়।
  • জলাশয়ের পানির অম্লত্ব বা ক্ষারত্ব (pH) নিয়ন্ত্রণে থাকে ও ঘোলাটে ভাব দূরদূ হয়ে, ফলে মৎস্য চাষের উপযোগী পরিবেশ বজায় থাকে।
  • জামি ব্যবহারে জলাশয়ে প্লাঙ্কটন (প্রাকৃতিক খাদ্যের) পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, ফলে মাছ ও চিংড়ির দৈহিক বৃদ্ধির হার এবং উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
  • জামি জলাশয়ের মাটি ও পানির খনিজ ঘাটতি দূর করে মৎস্য চাষের সঠিক পরিবেশ নিশ্চিত করে। 
  • চিংড়ির খোলস পরিবর্তন ত্বরান্বিত হয়।
  • জলাশয়ে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
  • প্যাকিং সাইজ :  ৫ কেজি এবং ১০ কেজি  
  • ব্যবহারবিধি :
  • প্রতি ৩ ফুট পানির গভীরতায় প্রতি ৩৩ শতকের ক্ষেত্রে,
  • পানি থাকা অবস্থায় পুকুর ও ঘের প্রস্তুতিতে : ২.৫-৩ কেজি সাদিক জিওলাইট 
  • মাছ চাষকালীন সময়ে  : ১.৫-২ কেজি সাদিক জিওলাইট
  • মাছ চাষকালীন জলাশয়ের গুনগত মান রক্ষায় নিয়মিত মাসে ১ বার সাদিক জিওলাইট প্রয়োগ করুন।
  • অতিরিক্ত দূষণ হলে প্রতি ২ সপ্তাহ অন্তর, অথবা মৎস্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী সাদিক জিওলাইট প্রয়োগ করুন।
  • সাদিক জিওলাইট জলাশয়ে প্রয়োগের পূর্বে পরিমাণ মত পানিতে ভালভাবে মিশিয়ে (পাউডারের ক্ষেত্রে) অথবা সরাসরি (গ্রানুলারের ক্ষেত্রে) সম্পূর্ণ পুকুরে/ঘেরে ছিটিয়ে দিন।

সাদিক এগ্রোকেমিক্যালস কোঃ লিমিটেড