সাদিক সুপার অক্সিজেন

পূর্বের পাতা

সাদিক সুপার অক্সিজেন

  • সাদিক সুপার অক্সিজেন কি ?
  • সাদিক সুপার অক্সিজেন হলো দানাদার ও ট্যাবলেট জাতীয় ওষুধ যা পানিতে অক্সিজেনের ঘাটতি পূরণে ব্যবহার করা হয়। এতে সক্রিয় উপাদান হিসাবে  সোডিয়াম পার কার্বনেট বিদ্যমান। 
  • সাদিক সুপার অক্সিজেন ব্যবহারের উপকারিতা :  
  • ১. সাদিক সুপার অক্সিজেন দ্রুত দ্রবীভূত হয়ে অক্সিজেন নিশ্চিত করে এবং অক্সিজেনের প্রয়োজনীয় মাত্রা বজায় রাখে।
  • ২. পানিতে অক্সিজেনের ঘাটতি কমায় এবয় মাছের মৃত্যুহার বন্ধ করে।
  • ৩. অধিক ঘনত্বে পোনামাছ মরে না ও বিরূপ আবহাওয়ায় মাছকে বেঁচে থাকতে সাহায্য করে। 
  • ৪. এটিতে ৩৫% এর বেশি পার-অক্সাইড (H2O2) রয়েছে যা পানিতে দ্রুত অক্সিজেন নির্গত করার পাশাপাশি জীবানুনাশক হিসাবে কাজ করে।
  • ৫. পুকুরে মাছ/চিংড়ি ভাসা বন্ধ করে এবং পানির দুর্গন্ধ ও বিষাক্ত গ্যাস দুর করে । 
  • ৬. ফাইটোপ্লাংকটনের মাত্রাতিরিক্ত (Phytoplankton Bloom) বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে।
  • ৭. সাদিক সুপার অক্সিজেন ট্যাবলেট ও দানাদার ফর্মে হওয়াতে অবস্থাভেদে ব্যবহারে চাষী অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হয়।
  • ৮. ক্লোরিনের পরিমান হ্রাস করে ও পরজীবি স্পোর (Zoothamniun) এর বৃদ্ধি ব্যহত হয় এবং অবায়বীয় ব্যাকটেরিয়া বংশ বৃদ্ধি রোধ করে।
  • ৯. অধিক সময় পর্যন্ত পানিতে অক্সিজেনের সরবরাহ নিশ্চিত করে এবং পানির গুনগতমান রক্ষা করে।
  • ১০. পুকুর/ঘেরের পানিতে ব্লিচিং এজেন্ট হিসাবে কাজ করে।
  • ১১. সূর্য আলোকের অনুপস্থিতিতেও অক্সিজেন সরবরাহ করে।
  • প্যাকিং সাইজ :  ১ কেজি
  • মাত্রা ও প্রয়োগবিধি :
  • ৩-৫ ফুট গভীর পুকুর/জলাশয়ের জন্য, 
  • সাধারণ অক্সিজেন স্বল্পতায় ২৫০-৪০০গ্রাম/একর।
  • সংকটময় অবস্থায় ৫০০-৬০০ গ্রাম/একর।
  • নার্সারি পুকুর :
  • রেনু মজুদের ২ ঘণ্টা পূর্বে 
  • ৫০০ গ্রাম/একর।
  • রেনু পোনা পরিবহনে:
  • ৫ গ্রাম/১০০ লিটার পানিতে।
  • প্ল্যাক্টন ব্লম নিয়ন্ত্রনে বা জলাশয়ের নিচের ক্ষতিকর জৈব উপাদান দুরীকরনে ১৫-২০ গ্রাম /শতক।
  • অথবা মৎস্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী।
  • ব্যবহার পদ্ধতি :
  • ট্যাবলেট: পুকুর/ঘেরের পানিতে সব জায়গাতে সমানভাবে ছিটাতে হবে।
  • দানাদার: শুকনো বালির সাথে অথবা পানিতে গুলিয়ে সমস্ত পুকুর/ঘেরের পানিতে ছিটিয়ে দিতে হবে।
  • পুকুরের মাছে অক্সিজেনের অভাবজনিত লক্ষন : 
  • ১. অক্সিজেনের অভাবে মাছ পানিতে ভেসে ওঠে।রাতে ও ভোরে মাছ ও চিংড়ি অস্বাভাবিক ভাবে পানির উপরের স্তরে/ পাড়ের কাছে চলে আসে ও খাবি খায়। 
  • ২. মাছ খুব ক্লান্ত হয়ে যায়, মুখ খুলে থাকে ও ফুলকা ফাটে।
  • ৩. তীব্র অক্সিজেন ঘাটতিতে মাছ ব্যাপক হারে মারা যায়
  • ৪. মাছ ও চিংড়ি খাদ্য গ্রহনে অনিহা দেখা যায় ও দূর্বল দেখায়
  • ৫. মৃত মাছের মুখ হা করা থাকে, অনেক সময় মৃত মাছের গায়ে রক্তের ছিটা দেখা যায়
  • ৬. মাছের ফুলকা ফ্যাকাসে দেখা যায়, তলদেশে বসবাসকারী মাছ যেমন মৃগেল, কমন কার্প মাছ মারা যায়।

সাদিক এগ্রোকেমিক্যালস কোঃ লিমিটেড